Introduction
ব্যক্তি পর্যায়ে আবাসিক গৃহ নির্মাণ ঋণ এর খসড়া নীতিমালা -২০১৭ মোতাবেক ব্যক্তি পর্যায়ে আবাসিক গৃহ নির্মাণের জন্য ঋণ মঞ্জুরী দেয়া যাবে।
পরিচালনা পর্ষদের ২৯ মার্চ ২০১৭ তারিখের ৫১২ তম সভায় এটি অনুমোদিত হয়েছে। যার বিস্তারিত নিম্নরূপঃ
- আবেদনকারীর নিজস্ব জমির মালিকানা থাকতে হবে। বাংলাদেশের যে কোনো নাগরিক যিনি চুক্তি করার যোগ্য, আবেদন করতে পারবেন।
- একাধিক মালিকানাধীন জমির ক্ষেত্রে বিচ্ছিন্নভাবে কাউকে ঋণ মঞ্জুরী দেয়া যাবে না। তবে সকল মালিক যৌথভাবে আবেদন করলে বিবেচনা করা যাবে।
- পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দ্বারা প্রাপ্ত সম্পত্তিতে কোনোভাবে ঋণ বিবেচনা করা যাবে না।
- ঋণগ্রহীতার আর্থিক অবস্থা ও সামর্থ্য যাচাই করে পূর্ণাঙ্গ ক্রেডিট রিপোর্ট তৈরি করতে হবে।
- প্রস্তাবিত ভবনে অনুমোদিত প্ল্যান অনুযায়ী পাকা রাস্তা এবং বিদ্যুতের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
- প্রস্তাবিত ঋণগ্রহীতার সংশ্লিষ্ট শাখায় একটি চলতি হিসাব থাকতে হবে। নির্মাণ সংক্রান্ত সকল লেনদেন ওই হিসাবের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।
- ভূমির মূল্য বাদ দিয়ে প্রাক্কলিত নির্মাণ ব্যয়ের ৩০% উদ্যোক্তার ইক্যুইটি বিনিয়োগের পর ঋণের অর্থ বিতরণযোগ্য হবে।
- প্রস্তাবিত ভবনের ভাড়া এবং অন্যান্য উৎস হতে আয় ঋণের কিস্তির কমপক্ষে ১.৫০ গুণ হতে হবে।
- ০২ সেপ্টেম্বর ২০১০ তারিখে ইস্তেহার নং-২০৭ এর মাধ্যমে জারিকৃত আগের নীতিমালা বাতিল করে নতুন নীতিমালা কার্যকর করা হয়েছে।
- এই নীতিমালার আওতায় বাণিজ্যিক-কাম-আবাসিক ভবন, বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ বা ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে কোনো ঋণ প্রদানযোগ্য নয়।