ঋণ প্রাপ্তির যোগ্যতাঃ
-
বিশেষ কৃষি ঋণ কর্মসূচী (এসএসিপি)
জাতীয় কৃষি নীতির আলোকে সকল ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে জাতিকে খাদ্যে স্বনির্ভর করে তোলা এবং সবার জন্য একটি নির্ভরযোগ্য খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার সরকারী প্রয়াস বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১৯৭৭ সালে প্রবর্তিত বিশেষ কৃষি ঋণ কর্মসূচীর আওতায় সোনালী ব্যাংক লিমিটেড সকল প্রকার শস্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে ক্ষুদ্র, প্রান্তিক, বর্গাচাষী কৃষকদের মধ্যে (৫.০০ একর পর্যন্ত) ক্রমবর্ধমান হারে জামানতবিহীন ঋণ প্রদান করে আসছে। বর্তমানে সারাদেশে ৬৪টি জেলার ৩৯৪টি উপজেলার ১৬৩৯টি ইউনিয়নে ৭০৭টি শাখার মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক প্রবর্তিত লীড ব্যাংক পদ্ধতিতে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড শস্য ঋণ প্রদান করছে। সম্প্রতি বাউকুল বা আপেলকুল, স্ট্রবেরী, মাশরুম, আগর ইত্যাদি শস্য উৎপাদনের জন্য ঋণ প্রদান করা হচ্ছ।
এক্ষেত্রে ০৩ (তিন) বছর মেয়াদে আবর্তনশীল শস্যঋণ কর্মসূচী চালু করা হয়েছে। এ কর্মসূচীর আওতায় প্রথম আবেদন ও দলিলায়নের মাধ্যমে ঋণ গ্রহণের পর শুধুমাত্র ১ম দুই বছর সুদের টাকা পরিশোধ করলেই পরবর্তী বছরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঋণটি নবায়িত হবে।
তাছাড়া জমির মালিকের গ্যারান্টি ব্যতিরেকে সহজ শর্তে বর্গাচাষীদের কৃষি ঋণ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।
-
পুকুরে মৎস্য চাষ ঋণ কর্মসূচীঃ
১৯৭৭ সালে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড কর্তৃক পুকুরে মৎস্য চাষ ঋণ কর্মসূচী চালু করা হয় এবং পরবর্তীতে সময়ের চাহিদার প্রেক্ষিতে ১৯৯৫ সালে পুনরায় নতুন আঙ্গিকে ক্রেডিট নর্মসহ এ ঋণ কর্মসূচী ২০০ (দুইশত) টি নির্বাচিত শাখার মাধ্যমে সম্প্রসারন করা হয়।
এই ঋণ পাওয়ার পূর্ব শর্ত হলো প্রকল্পের অনাবর্তক ব্যয়ের ন্যূনতম ৫০ শতাংশ এবং আবর্তক ব্যয়ের ৩০ শতাংশ অর্থ উদ্যোক্তাকে বহন করতে হবে।
-
শস্য বহির্ভূত কৃষি/অ-কৃষি (Farming and off-farming) ঋণ কর্মসূচীঃ
দেশের বৃহত্তর কর্মক্ষম জনগোষ্টিকে অধিকতর কর্মমূখী করে গড়ে তোলা, উপার্জন বৃদ্ধির মাধ্যমে জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন, বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে উৎসাহিতকরণ, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, আমদানী হ্রাসকরণ, ক্ষুদ্রাকার শিল্প খাতে উৎপাদন বৃদ্ধি তথা দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন। ১৯৯৪ সালে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর সমগ্র শাখার মাধ্যমে শস্য বহির্ভূত কৃষি এবং অ-কৃষি (Farming and off-farming) ঋণ কর্মসূচী চালু করা হয়।
এই ঋণ প্রদানের খাতসমূহ হলোঃ
- হালের গরু/মহিষ ক্রয়
- গবাদি পশু মোটাতাঁজাকরণ
- দুগ্ধ খামার স্থাপন
- ছাগলের খামার স্থাপন
- হাঁস-মুরগীর খামার স্থাপন
- সকল ধরনের হ্যাচারী
- মৎস্য খামার/পুকুরে মৎস্য চাষ
- চিংড়ী চাষ
- উদ্যানঃ নার্সারী, কলা চাষ, আনারস চাষ, পেঁপে চাষ, নারিকেল চাষ
- ফুল চাষ
- আম্রকুঞ্জ উন্নয়ন
- বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপন ও কেঁচো কম্পোস্ট সার ইত্যাদি
এই ঋণের ইকুইটি: প্রকল্পের অনাবর্তক ব্যয়ের ন্যূনতম ৫০ শতাংশ এবং আবর্তক ব্যয়ের ৩০ শতাংশ অর্থ উদ্যোক্তাকে বহন করতে হবে।
-
মিল এলাকায় ইক্ষু চাষ ঋণ কর্মসূচীঃ
ঋণসীমাঃ প্রকল্পের প্রকৃতি ও প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে।
-
বিশেষ বিনিয়োগ কর্মসূচীঃ
দেশের গ্রামীণ অর্থনৈতিক উন্নয়নকল্পে স্বল্পবিত্ত জনগোষ্ঠীর আয় বৃদ্ধি ও আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এবং দেশে খাদ্য ঘাটতি, প্রোটিন ও শিশু খাদ্য ঘাটতি পূরণ। ১৯৯৩ সালে এ কর্মসূচী চালু করা হয়। বর্তমানে নির্বাচিত ২৩৬টি শাখার মাধ্যমে এ কর্মসূচী অব্যাহত রয়েছে।
এই কর্মসূচীর আওতায় খাতসমূহঃ
- দুগ্ধ খামার
- হাঁস-মুরগীর খামার
- মৎস্য চাষ
- গরু মোটাতাজা করণ
- ভেঁড়া/ছাগলের খামার
- কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র স্থাপন
- গবাদি পশুর খাদ্য উৎপাদন কেন্দ্র
এই ঋণে মোট প্রকল্প ব্যয়ের কমপক্ষে ২০ শতাংশ উদ্যোক্তাকে বহন করতে হবে।
-
সামাজিক বনায়ন ঋণ কর্মসূচীঃ
দূষণমুক্ত সজীব, সুন্দর ও নির্মল পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষের কোন বিকল্প নেই। পরিবেশ রক্ষায় অধিকতর সহায়ক ভূমিকা পালনের জন্য সোনালী ব্যাংক লিমিটেড কর্তৃক কৃষি খাতে সামাজিক বনায়ন ঋণ কর্মসূচী নামীয় একটি মেয়াদী ঋণ কর্মসূচী ২০০৪ সালে শুরু করা হয়।
এই ঋণে মোট উৎপাদন খরচের ২০ শতাংশ উদ্যোক্তাকে বহন করতে হবে এবং অবশিষ্ট ৮০ শতাংশ ব্যাংক ঋণ প্রদান করা হবে।
-
কৃষি খামার ঋণ কর্মসূচীঃ
দেশজুড়ে অধিকহারে কৃষিজ শিল্প গড়ে তোলার মাধ্যমে শহর ও গ্রাম উভয় এলাকায় সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তার মাধ্যমে বিনিয়োগ বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড কর্তৃক এ ঋণ কর্মসূচী চালু করা হয়।
উল্লেখযোগ্য খাত সমূহ হলোঃ
- ডেইরী ফার্ম
- গবাদি পশু মোটাতাজাকরণ
- পোলিট্রি ফার্ম (লেয়ার ও ব্রয়লার)
- পোল্ট্রি হ্যাচারী
- মৎস্য খামার
- মৎস্য হ্যাচারী
- চিংড়ী হ্যাচারী
- আধানিবিড় চিংড়ী চাষ প্রকল্প
- ছাগলের/ভেঁড়ার খামার
- হাঁসের খামার
ইকুইটি:
- প্রকল্পের গুনাগুন বিবেচনায় স্থায়ী মূলধন ব্যয়খাতে ইকুইটি ও ঋণের অনুপাত ন্যূনতম ৫০:৫০ হতে হবে।
- চলতি মূলধন ঋণের ক্ষেত্রে ইকুইটি ও ঋণের অনুপাত হবে ন্যূনতম ৩০:৭০।
Charge Documents
-
ডিপি নোট-ডাবল পার্টি
-
ডিপি নোট ডেলিভারী লেটার
-
রিভাইবাল লেটার-ডাবল পার্টি

-
ব্যালেন্স কনফার্মেশন
Reporting
RCD ঋণের আওতায় প্রদেয় প্রতিটি ঋণ হিসাব এর সিএল রিপোর্ট হবে CL5(I) এ।