Introduction
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ কর্তৃক ৩০ জুলাই ২০১৮ তারিখে জারিকৃত
০৭.০০.০০০০.১০২.০০২.০০১.২০১৮-৪২৫ সংখ্যক পরিপত্রের অনুচ্ছেদ ১০ এর প্রেক্ষিতে মাননীয় অর্থমন্ত্রী মহোদয়ের উপস্থিতিতে
২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে অর্থ বিভাগ এবং সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর মধ্যে গৃহ নির্মাণ ঋণ প্রদান সংক্রান্ত
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
পরিপত্র, সমঝোতা স্মারক এবং ব্যাংকের যথাযথ পদ্ধতি (Due Diligence) অনুযায়ী সরকারী কর্মচারীদের গৃহ নির্মাণ ঋণ
প্রদানের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
উল্লেখযোগ্য নীতিমালা সমূহ:
- এই নীতিমালা “সরকারী কর্মচারীদের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃহ নির্মাণ ঋণ প্রদান নীতিমালা ২০১৮ (সংশোধিত)” নামে অভিহিত হবে।
- ঋণ অর্থঃ বাড়ি নির্মাণ, জমি ক্রয়সহ নির্মাণ, ফ্ল্যাট ক্রয় ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।
- শুধুমাত্র সরকারী স্থায়ী কর্মচারীরা (সামরিক/বেসামরিক) এই নীতিমালার আওতায় থাকবেন।
- আবেদন নির্ধারিত ফরমে ও প্রয়োজনীয় দলিলসহ জমা দিতে হবে।
- অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী নির্মাণ আবশ্যক।
- ঋণের জন্য আবেদন সংশ্লিষ্ট এলাকায় ব্যাংক শাখায় করতে হবে।
- Due Diligence অনুসরণ করে ঋণ প্রক্রিয়াকরণ করতে হবে। ফ্ল্যাট হলে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি প্রযোজ্য।
- সাময়িক অনুমোদনের পর Negotiated Payment Schedule তৈরি ও অর্থ বিভাগে পাঠাতে হবে।
- সরকারি অনুমোদনের ভিত্তিতে চূড়ান্ত ঋণ মঞ্জুর হবে।
- সর্বোচ্চ সিলিং অর্থ বিভাগ নির্ধারণ করবে। ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে ৯০:১০ অনুপাতে ঋণ-ইক্যুইটি।
- মাসিক কিস্তি যেন উত্তোলনযোগ্য বেতনের বেশি না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে।
- সরকারি কর্মচারী ব্যাংক রেট অনুযায়ী সুদ পরিশোধ করবেন; বাকি অংশ সরকার ভর্তুকি হিসেবে দেবে।
- ঋণ বিতরণের আগে সম্পত্তি রেজিস্টার্ড দলিলমূলে বন্ধক রাখতে হবে।
- বাড়ি নির্মাণ কাজের অগ্রগতির ভিত্তিতে সর্বোচ্চ ৪ কিস্তিতে ঋণ বিতরণ হবে।
- ফ্ল্যাট ক্রয়ের ক্ষেত্রে এক কিস্তিতে পূর্ণ ঋণ প্রদান করা যাবে।
- সকল পক্ষ রেজিস্টার্ড বন্ধকী দলিলের শর্ত মেনে চলবে।
- আবেদনকারীর চাকরি স্থায়ী হতে হবে এবং বয়স ১ জুলাই ২০১৮ তারিখে সর্বোচ্চ ৫৬ বছর।
- বিভাগীয় মামলা/দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়।
- চুক্তিভিত্তিক, খণ্ডকালীন বা অস্থায়ী কর্মচারী ঋণের যোগ্য নন।
ঋণ পরিশোধ সংক্রান্ত:
- মেয়াদ সর্বোচ্চ ২০ বছর। বাড়ির ক্ষেত্রে ১ বছর ও ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে ৬ মাস পর কিস্তি শুরু।
- ঋণগ্রহীতা মাসিক বেতনের হিসাব খুলে সেখানে বেতন জমা দিবেন। BEFTN এর মাধ্যমে কিস্তি কাটা হবে।
- কিস্তি সরাসরি বেতন থেকে কর্তন হবে।
- সরকার প্রদত্ত ভর্তুকির পরিমাণ হিসাব করে অর্থ বিভাগকে জানাতে হবে।
- স্বেচ্ছায় পদত্যাগ বা বাধ্যতামূলক অবসরের ক্ষেত্রে পেনশন ও আনুতোষিক থেকে পাওনা আদায় করা হবে।
- চাকরি বরখাস্ত হলে প্রচলিত ঋণ আদায় প্রক্রিয়া অনুসরণযোগ্য।
- মৃত্যুর ক্ষেত্রে পেনশন থেকে অংশ পরিশোধ, বাকি টাকা আনুতোষিক থেকে আদায়যোগ্য।
- যদি পেনশন ও আনুতোষিক যথেষ্ট না হয়, উত্তরাধিকারীর কাছ থেকে আদায় করতে হবে।
- সেক্ষেত্রে ব্যাংকের প্রচলিত নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।