প্রি-পেইড কার্ডের বৈশিষ্ট্য:
- ২৪/৭ ঘণ্টা সেবা
- কর পরিশোধের সুবিধা
- মোবাইল ফোন রিচার্জ
- পস (POS) মেশিনে কেনাকাটা, ডিপার্টমেন্টাল স্টোর ও রেস্টুরেন্টে ব্যবহারযোগ্য
- অ্যাকাউন্ট খোলার প্রয়োজন নেই
- এটিএম থেকে কার্ড ব্যালেন্স এবং মিনি স্টেটমেন্ট অনুসন্ধান
- পিন পরিবর্তনের সুবিধা
- প্রতিদিন ৪ (চার) বার লেনদেনের সুবিধা
- সহজ নগদ লোডের সুবিধা
- অন্যত্র নগদ লোডের সুবিধা
প্রি-পেইড কার্ডের জন্য যোগ্যতা:
শুধুমাত্র বাংলাদেশের নাগরিক যাদের বয়স ১৮ বছর বা তার বেশি।
প্রি-পেইড কার্ডের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টেশন:
- কী জানুন আপনার গ্রাহক (KYC) ফর্ম
- লেনদেন প্রোফাইল (TP) ফর্ম
- জাতীয় পরিচয়পত্র
প্রি-পেইড কার্ডের জন্য ফি, চার্জ এবং সীমা:
* সব চার্জের উপর ১৫% ভ্যাট প্রযোজ্য।
প্রি-পেইড কার্ড সক্রিয়করণ:
- কার্ডটি শূন্য ব্যালেন্সে প্রাক-সক্রিয় করা হয়েছে।
- কার্ড ব্যবহার করার আগে গ্রাহককে কার্ডের পেছনে স্বাক্ষর প্যানেলে বলপেন দিয়ে স্বাক্ষর করতে হবে।
- প্রথম লেনদেনের আগে গ্রাহককে সোনালী ব্যাংক এটিএম বা কিউ-ক্যাশ কনসোর্টিয়ামের এটিএমের মাধ্যমে পিন পরিবর্তন করতে হবে।
নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করা:
- পিন মেইলারটি পিন পরিবর্তনের পরে ধ্বংস করুন।
- কার্ডে পিন লিখবেন না।
- পিন ওয়ালেটে রাখবেন না।
- প্রতি মাসে পিন পরিবর্তন করা ভালো।
- এটিএম লেনদেনের সময় মোবাইলে কথা বলা এড়িয়ে চলুন।
- এটিএম লেনদেনের সময় অর্থ যথাসময়ে গ্রহণ করুন।
- পস লেনদেনের সময় সর্বদা কার্ডটি দৃশ্যমান রাখুন যাতে অপব্যবহার না হয়।
- পস লেনদেনের সময় স্বাক্ষর করার আগে পরিমাণ চেক করুন।
- কার্ড ব্যবহারের পর গ্রাহককে নিশ্চিত করতে হবে যে কার্ডটি তার কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
- ভবিষ্যতের জন্য রেফারেন্সের জন্য বিক্রয় স্লিপের একটি কপি সংরক্ষণ করুন।